অর্থ লিপি

১৫ মার্চ ২০২৬ রবিবার ১ চৈত্র ১৪৩২

বাজারে শীতের সবজির সরবরাহ বাড়ায় দাম কমতে শুরু করেছে

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

অবশেষে বাজারে শীতের সবজির সরবরাহ বাড়ায় দাম কমতে শুরু করেছে প্রায় সব ধরনের সবজির। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে কোনো কোনো সবজির দাম কেজিতে ১৫ থেকে ২০টাকা পর্যন্ত কমেছে।তবে গাজর টমেটোর দাম কেজি প্রতি ২০ থেকে ২৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।  সবজির দাম কমলেও  ভোক্তাদের জন্য বড় অস্বস্তি আলু পেঁয়াজের দাম নিয়ে।অস্বস্তি রয়েছে চাল চিনির দর নিয়েও। আর মাত্র কিছু দিন পর বাজারে নতুন ধান উঠবে।কিন্তু তার আগে মোটা মাঝারিমানের চালের দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন ভোক্তারা। আজ রাজধানীর মিরপুর নাম্বার ,১১ নাম্বার মিরপুর মুসলীম বাজারে খোঁজ নিয়ে বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়ার তথ্য পাওয়া যায়।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্য বলছে, গত অক্টোবর মাসে খাদ্যমূল্যস্ফীতি হয়েছে ১২.৫৬ শতাংশ। যা গত ১১ বছর মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। গত তিনমাস ধরেই খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১২ শতাংশের বেশি। খাদ্য মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশেষ করে গরিব মধ্যবিত্ত মানুষ সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন।

বাজারে চালের দাম বেড়েছে। আর অল্প কিছু দিনের মধ্যেই দেশের হাটবাজার গুলোতে নতুন বোরো ধান উঠবে। কিন্তু গত এক মাসের ব্যবধানে বাজারে মোটা মাঝারিমানের চালের দাম কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে মোটা চাল ইরি/স্বর্ণা ৫২ থেকে ৫৪ টাকা মাঝারিমানের চাল পাইজাম/লতা ৫৮ থেকে ৬০টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া নাজিরশাইল মিনিকেট মানভেদে ৬৫ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রিহচ্ছে।

চালের দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে মিরপুর ১১ নাম্বার বাজারের একজন খুচরা চাল ব্যবসায়ী বলেন, এখনতো চালের মৌসুম শেষের দিকে। তাই দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে আগামী এক/দেড়মাসের মধ্যে নতুন ধান, চাল বাজারে উঠবে। তাই নতুন করে আর চালের দাম বাড়বে না।

এদিকে চালের পাশাপাশি চিনির দামও বেড়েছে।গতকাল খুচরা বাজারে প্রতি কেজি খোলাচিনি ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা বিক্রি হয়। যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা।এছাড়া, খুচরা বাজারে প্যাকেটজাত চিনি ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা সরকার নির্ধারিত দরের চেয়ে বেশি। সরকার খুচরা বাজারে প্রতি কেজি খোলা চিনি ১৩০ টাকা প্যাকেটজাত চিনি ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করেছে। তবে তা কার্যকর হয়নি।

সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও আলু পেঁয়াজের দাম এখনো চড়া। প্রতি কেজিতে ১০ টাকা দাম কমলেও এখনো খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০টাকা। অথচ সরকার খুচরা বাজারে বিক্রির জন্য প্রতি কেজি আলুর দর ৩৬ টাকা নির্ধারণকরে দিয়েছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, এখন পর্যন্ত লাখ ৬২ হাজার টন আলুআমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে দেশে এসেছে হাজার ৭০০ টন। যা চাহিদারতুলনায় যথেষ্ট নয়। ফলে বাজারে তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারছে না। এছাড়া পেঁয়াজনিয়েও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে ভোক্তাদের। বর্তমানে খুচরা বাজারে প্রতি কেজিআমদানিকৃত পেঁয়াজ ১১০ থেকে ১২০ টাকা দেশি ক্রজ পেঁয়াজ ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা টাকায়বিক্রি হচ্ছে।এছাড়া দেশি পেঁয়াজ ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।মোট কথা দর কষাকষিনা করলে এক জনের কাছে এক এক দামে বিক্রি করছে বিক্রেতারা। তাই ক্রেতাদের উচিৎ বাজারে গিয়ে দরদাম করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ক্রয় করা।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।