ঢাকা শেয়ার বাজার

১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ সোমবার ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪৩২

ব্যক্তির করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লাখ করার প্রস্তাব ঢাকা চেম্বারের

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “ঢাকা শেয়ার বাজার ডট কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  facebook.com/dhakasharebazar2024

ব্যক্তির করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লাখ টাকা করা ও সর্বোচ্চ করহার ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। পাশাপাশি আমদানি পর্যায়ে উৎপাদনকারীদের জন্য আগাম কর ধাপে ধাপে বিলুপ্তি ও বাণিজ্যিক আমদানিকারকদের জন্য আগাম কর হ্রাস করার প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি।

আজ মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে আগারগাঁও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে প্রাক-বাজেট আলোচনা এসব প্রস্তাব দেয় সংগঠনটি।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লাখ করা উচিত। ব্যক্তির সর্বোচ্চ কর কমানো উচিত। কর জাল বাড়ানোর জন্য এনবিআরের পদক্ষেপ নিতে হবে।

এ সময় বাণিজ্যিক আমদানিতে আগাম কর কমানো, ভ্যাটের একক হার করার প্রস্তাব দেন তিনি।

সংগঠনটির অন্যান্য প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে অটোমেটেড করপোরেট কর রিটার্ন চালু, ব্যবসায়ীদের ওপর থেকে রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র (পিএসআর) সংগ্রহে বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহার করা, ভ্যাট ব্যবস্থা ডিজিটাল করতে ওয়েবসাইটের পাশাপাশি একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরি ও তা ব্যবসায়ীদের জন্য বাধ্যতামূলক করা ও একক মূসকহার বা ভ্যাট হার ১০ শতাংশ করা।

তাসকীন আহমেদ বলেন, করপোরেট কর রিটার্ন প্রদানে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি না থাকায় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো ম্যানুয়ালি রিটার্ন জমা দেয়। ম্যানুয়াল বা হাতে লেখা রিটার্ন সময়সাপেক্ষ, জটিল ও ত্রুটিপূর্ণ হয়। এসব উল্লেখ করে দ্রুত করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অটোমেটেড করপোরেট কর রিটার্ন চালুর করা প্রয়োজন।

প্রস্তাব শুনে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, ব্যক্তির কর বেশি হওয়া উচিত। কোম্পানির কম হওয়া উচিত। এবার ব্যক্তির কর ৩০ শতাংশ হবে। এটাকে আরও বাড়ানো উচিত, ভারতেও বেশি। উন্নত দেশে ৫০ থেকে ৫৫ শতাংশ। এটাকে কমানো ঠিক হবে না, বাড়াতে হবে। নইলে বৈষম্য কমবে না। উন্নত দেশে ব্যক্তির কর বেশি হওয়ায় বৈষম্য কম। এটা ঠিক তারা বেশি কর দিয়ে বেশি সেবা পান। আমাদেরও সেবা নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে মানুষ হাতে কম টাকা রাখবে।

তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের তীব্র প্রতিরোধে ভ্যাটের একক হার হয়নি, তারাই এখন ভুগছে। সবাই একমত হলে, হার কিছুটা কমিয়ে হলেও একক হারে যাওয়া উচিত। আপনাদের এফবিসিসিআইকে প্রস্তাব দিতে বলেন। দরকার হলে আমরা ব্যবসায়ীদের জন্য সফটওয়্যারও করে দেব। যত ঝগড়া ভ্যাটের অনেক হারের কারণে।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।