আজ বুধবার (২৮শে ফেব্রুয়ারি) উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন কমেছে। তবে আজ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক কমলেও বেড়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের। আজ সারাদিন উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক উঠা নামার মধ্যে ছিল।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, আজ বুধবার ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ৪.০৯ পয়েন্ট কমে ৬,২৬৮.৬২ পয়েন্টে অবস্থান করছে। অপর দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো ৩০টি কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ৫.৩৭ পয়েন্ট কমে ২,১৩২.৬২ পয়েন্টে ও ডিএসই শরিয়াহ সূচক আগের দিনের তুলনায় ১.৯৮ পয়েন্ট কমে ১,৩৬৩.৬৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আজ বাজারে লেনদেন হয়েছে ৮৮৮.৭৭ কোটি টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৮৯৮.২০ কোটি টাকা। সে হিসেবে লেনদেন কমেছে ৯.৪৩ কোটি টাকা।

অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই ২৪.০৭ পয়েন্ট বেড়ে সূচক ১৭৯৬১.৮৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আজ লেনদেন হয়েছে ১৪.৪৯ কোটি টাকা, গতকাল লেনদেন হয়েছিল ২০.৮৩ কোটি টাকা। সে হিসেবে আজ লেনদেন কমেছে ৬.৩৪ কোটি টাকা।
আজ বাজারে লেনদেনকৃত মোট ২৭১ টি কোম্পানির মধ্যে ১০৩ টির দাম বেড়েছে। কমেছে ১২০ টির এবং ৪৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
সার্বিক বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায় স্বস্তিতে নেই বিনিয়োগকারীরা, বেশির ভাগই বিনিয়োগকারীরই বাজারে এই মুহূর্তে লসে আছেন বলে জানিয়েছেন।
বাজারের লেনদেন হাজার কোটি হলেও, বহু বিনিয়োগকারীদের কোন লাভ হচ্ছেনা । চিন্তায় তারা দিশেহারা হয়ে পরেছেন।
বাজার নিয়ে আজ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ২টি হাউজের অফিসে কয়েকজন বিনিয়োগকারী ও অফিসারদের কাছে বাজার নিয়ে জানতে চাইলে, দিশেহারা হয়ে পরা কয়েকজন বিনিয়োগকারীকে আফসোস করে বলতে শোনা গেল ৩০/৪০% লস কিভাবে তুলব! তা ভেবে ঘুম আসছেনা আমাদের।
অনেকেই জানালেন ফ্লোর ওঠার পরে বাজারের সাথে তাল মেলাতে হিমসিম খাচ্ছে তারা।
তারপরও কয়েকজন বিনিয়োগকারী জানালেন বাজারে এখন একটি আশার কথা হলো বাজারে মানুষ স্বাধীন ভাবে শেয়ার ক্রয় বিক্রি করতে পারছেন। তারা আরও বলেন পুরো বাজারকে ফ্লোরমুক্ত করে দেয়া হোক।