ঢাকা শেয়ার বাজার

৩০ নভেম্বর ২০২৫ রবিবার ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২

এক সেন্টের মুদ্রা উৎপাদন ২৩০ বছর পর বন্ধ হচ্ছে

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “ঢাকা শেয়ার বাজার ডট কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  facebook.com/dhakasharebazar2024

যুক্তরাষ্ট্রে দুইশো বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রচলিত এক সেন্টের মুদ্রা (পেনি) উৎপাদন বন্ধ হচ্ছে। স্থানীয় সময় বুধবার (১২ নভেম্বর) ফিলাডেলফিয়া মিন্টে এই মুদ্রার শেষ ব্যাচ তৈরি করা হবে।

১৭৯৩ সাল থেকে টানা ২৩০ বছরের বেশি সময় ধরে চলা পেনি উৎপাদনের ইতি টানলেও মুদ্রাগুলো প্রচলনে থাকবে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, নতুন উৎপাদন বন্ধের ঘোষণার পর থেকেই অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দাম সমন্বয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছে। কারণ বাজারে এখন পেনি পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ বলছে, উৎপাদন বন্ধ করলে প্রতিবছর প্রায় ৫৬ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হবে।

পেনি তৈরিতে ব্যবহৃত তামা-প্লেটেড জিঙ্ক ও আব্রাহাম লিংকনের প্রতিকৃতি সংবলিত মুদ্রা এখন তৈরি করতে খরচ হচ্ছে প্রায় ৪ সেন্ট, যা এক দশক আগের তুলনায় দ্বিগুণ। এছাড়া ডিজিটাল লেনদেন বাড়ার কারণে এক সেন্ট মুদ্রার ব্যবহার ধীরে ধীরে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে।

১৭৯৩ সালে প্রথম চালু হওয়া এই কয়েন এখন বাজারে প্রায় ৩০০ বিলিয়ন পরিমাণে রয়েছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অনেক বেশি। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে চলমান কয়েনের প্রায় ৬০ শতাংশ ব্যবহারহীন অবস্থায় ঘরে জমে থাকে। প্রতি পরিবারে গড়ে এ ধরনের মুদ্রার মান ৬০-৯০ ডলারের মতো।

তবে নতুন সিদ্ধান্ত ভোক্তাদের জন্য কিছু বাড়তি খরচের চাপও সৃষ্টি করতে পারে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো যখন পণ্যের দাম রাউন্ড ফিগারে বা পূর্ণ সংখ্যায় সমন্বয় করবে, তখন ক্রেতাদের বার্ষিক অতিরিক্ত খরচ পড়বে প্রায় ৬ মিলিয়ন ডলার।

অবশ্য বিশ্বের অনেক দেশই আগেই তাদের স্বল্পমূল্যের মুদ্রা ব্যবহার বন্ধ করেছে। উদাহরণস্বরূপ, কানাডা ২০১২ সালে এক সেন্টের কয়েন তৈরি বন্ধ করেছে। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড ১৯৯০ এর দশকে এক ও দুই সেন্টের কয়েন বাতিল করেছে, আর নিউজিল্যান্ড ২০০৬ সালে পাঁচ সেন্টের কয়েন তৈরিও বন্ধ করেছে।

যুক্তরাজ্যে ২০১৮ সালে এক পেনি মুদ্রা বাতিলের পরিকল্পনা করলেও তা পরে প্রত্যাহার করা হয়। ২০২৪ সালে দেশটি ডিজিটাল লেনদেন বাড়ার কারণে নতুন করে ১ ও ২ পেনি কয়েন তৈরি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে এখন নজর পড়েছে পাঁচ সেন্ট মূল্যের নিকেল মুদ্রার দিকে। এর উৎপাদন খরচ প্রায় ১৪ সেন্ট, যা মুদ্রার মূল্যমানের প্রায় তিন গুণ। রিচমন্ড ফেডারেল রিজার্ভের হিসাব অনুযায়ী, এই মুদ্রা বন্ধ করলে ভোক্তাদের বার্ষিক অতিরিক্ত ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ডলার।

Author

  • 'ঢাকা শেয়ার বাজার ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।

    'ঢাকা শেয়ার বাজার ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।

    View all posts
Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।