দেশের বর্তমান শেয়ার বাজারে ফ্লোর প্রাইজ নিয়ে পক্ষ বিপক্ষ অনেক কথা হচ্ছে । ফ্লোর কোন স্থায়ী সমাধান না কথাটি আমাদের অবশ্যই ভাবতে হবে।
বাজারের যতগুলো অনিয়ম আছে এগুলো বন্ধ করতে পারলে ফ্লোর দরকার হতো না ।
যদিও ফ্লোর বাজার কে স্থবির করে রেখেছে। তবে ঠিক এই মুহুর্তে ফ্লোর তুলে নিলে হাজার হাজার লোন একাউন্ট ধ্বংস হয়ে যাবে ফোর্স সেলের জন্য। বাজারে অস্বাভাবিক সূচকের পতন হবে।
বাজার একটু স্বাভাবিক গতিতে আসলে এই ফ্লোর তুলে দিতে হবে। সারা জীবন ফ্লোর দেয়া যাবে না ক্যাপিটাল বাজার কে এভাবে আটকে রাখা যায় না।
বর্তমানে নির্বাচনের কারণে এখন সরকারী ও বিরোধীদলের মধ্যে আন্দোলন সংঘাত হচ্ছে যে কারণে মানুষ কিছুটা উদ্ধিগ্ন অবস্থায় আছে। নির্বাচনের আগে ফ্লোর তুললে বাজারের অবস্থা এমন ভাবে নেগেটিভ পর্যায়ে চলে যাবে যা কল্পনা ও করা যাবেনা।
সার্বিকভাবে বাজার বাড়িয়ে তারপর ফ্লোর তোলা হোক অথবা নির্বাচনের পরে একটি স্থিতি অবস্থায় আসলে ফ্লোর তুলে দিতে হবে। একটি কথা মনে রাখতে হবে আর যেন কখনোই বাজারে ফ্লোর দিতে না হয়। সে জন্য যত অন্যায় অনিয়ম সিরিয়াল ট্রেডিং এগুলো বন্ধ করতে হবে।
বাংলাদেশের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের লোকজনের মধ্যে অনিয়ম অরাজকতার জন্য বাজারের এই খারাপ অবস্থা তারা যদি সঠিকভাবে নিয়ম কারণগুলো মেনে চলতো তাহলে বাজারে এত অস্থিরতা বিরাজ করত না।
এখনই ফ্লোর তুলে দেয়া ঠিক হবেনা, তবে ফ্লোর বাজারকে স্থবির করে রেখেছে, ফ্লোর বাজারের জন্যে ক্ষতিকর।
পরিশেষে একটি কথা বলবো শেয়ার বাজারে ব্যবসা করতে এসে আপনার পুঁজি অন্যে বাঁচিয়ে দিবেনা। এই মনোভাব রেখেই আগাতে হবে। বিশ্বজুড়ে শেয়ারবাজারে দুর্নীতি আছে। নিজের যোগ্যতায় লোভ পরিহার করে আগাতে হবে, কর্তৃপক্ষ আমাকে আপনাকে লাভ করিয়ে দিবে না। এই বিষয় টি আমাদের সব সময় মনে রাখতে হবে।