মাতৃত্ব প্রত্যেক মায়ের কাছেই গর্বের বিষয়। মাতৃত্ব মায়েদের কাছে এক অলংকার এবং গৌরব। তাই এই সময় মহিলাদের খুব সাবধানে থাকতে হয় এবং পরিচর্যার মধ্যে থাকতে হয়।
এই গর্ভবতী মহিলাদের প্রাক-প্রসবকালীন সময়ে অন্তত ৩ বার স্বাস্থ্যকর্মীদের দ্বারা পরীক্ষা হওয়া প্রয়োজন। প্রথমবার-প্রথম ৩ মাসের মধ্যে, দ্বিতীয়বার – ৬ মাসের পরে এবং তৃতীয়বার বা শেষ বার- ৯ মাসের মাথায়। যদি কোনো গর্ভবতী মহিলার কোনো সমস্যা বা ঝুঁকি থাকে তবে তাঁকে আরও ঘনঘন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতে হবে, তবে এ ব্যাপারে এ.এন.এম.(ANM) বা চিকিৎসকদের পরামর্শ প্রয়োজন।
প্রত্যেক গর্ভবতী মহিলার স্বাস্থ্যপরীক্ষার সময় রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষা এবং উচ্চতা মাপা অবশ্য প্রয়োজন। প্রত্যেক গর্ভবতী মহিলার, তিনি গর্ভবতী হওয়ার পর যথাশীঘ্র সম্ভব নিকটবর্তী উপকেন্দ্রের এ.এন.এম-এর কাছে নাম রেজিস্ট্রিভুক্ত করা উচিত। স্বাস্থ্যপরীক্ষার সময়ই ১০০ টি আই. এফ. এ. ট্যাবলেট এবং ২ টি টি. টি. প্রতিষেধক দিতে হবে গর্ভবতী মহিলাদের।
যে সমস্ত খাদ্য গ্রহণ করবেন:
এই সময় সুষম খাদ্য অর্থাৎ বিন, সিম, কড়াইশুঁটি, বাদাম, আলু, চাল, ডাল, পাউরুটি, রুটি, মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, ঘি, দই, সয়াবিন, তেল, মাখন এবং পেঁপে, আম, পেয়ারা জাতীয় ফল এবং গাজর, বাঁধাকপি জাতীয় সবজি খাওয়া উচিত। এছাড়াও স্থানীয় স্তরে পাওয়া যায় এমন খাবার খাওয়া উচিত যেমন—
◆ আয়রন – খাসির মাংস, ডিম, গাঢ় সবুজ রঙের সবজি যেমন কুলেখাড়া পাতা, মটরশুঁটি ইত্যাদি।
◆ ভিটামিন এ- দুধের দ্বারা প্রস্তুত খাদ্য, ডিম, গাজর, পেঁপে ইত্যাদি।
◆ ক্যালশিয়াম ম্যাগনেসিয়াম – দুধ, গাঢ় সবুজ রঙের সবজি, বিন, মশুর ডাল ইত্যাদি। খাদ্যশস্য, গাঢ় সবুজ রঙের সবজি, চীনাবাদাম ইত্যাদি।
◆ ভিটামিন সি-কমলা লেবু, টম্যাটো এবং অন্যান্য লেবুজাত বা অম্ল ফল।
সুতরাং, ভালো হজমের জন্যই হালকা আবার বারেবারে খাওয়া। মনে রাখতে হবে যে,গর্ভবতী অবস্থায় কখনোই উপবাস করা উচিত নয়।
দাঁতের যত্ন নিতে হবে:
গর্ভাবস্থায় মহিলারা দাঁতের মাড়ির ফুলে যাওয়া অনুভব করে থাকেন। রুটিন মাফিক দাঁত এবং দাঁতের মাড়ি পরীক্ষা করা এবং ক্যালশিয়ামে পূর্ণ খাবার খেলে এই সমস্যা কাটিয়ে উঠা সম্ভব।
গর্বস্থায় ব্যায়াম:
একজন গর্ভবর্তী মহিলা কতটা ব্যায়াম করবেন তা নির্ভর করে তিনি কী ধরনের কাজের সঙ্গে যুক্ত তার উপর। কোনো নির্মাণ কাজে বা চাষবাসে নিযুক্ত গর্ভবতী মহিলার উচিত তার কাজের পরিমাণ কমিয়ে আনা, আবার একজন গৃহবধূ গর্ভবতী অবস্থায় খোলা জায়গায় নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করলে ভালো উপকার পাবেন। কিন্তু কোনো গর্ভবতী মহিলা যদি এক প্রকার কোনোরকম কাজের সঙ্গে যুক্ত না থাকেন তবে তাঁকে স্বাস্থ্যকর্মী নির্দেশিত ব্যায়ামগুলো নিয়মিত করা দরকার।
বিশ্রাম নেওয়া:
ভারী দৈহিক শ্রম যেমন ভারী কোনো জিনিস তুলে ধরা বা তা বয়ে নিয়ে যাওয়া, ঘণ্টার পর ঘন্টা হেঁটে যাওয়া, খননের কাজ ইত্যাদি এড়িয়ে চলতে হবে গর্ভাবস্থায়। গর্ভবতী মহিলা কখনই একটানা অনেকক্ষণ বসে বা দাঁড়িয়ে থাকবেন না। ভারী দৈহিক কাজের পরিমাণ কমিয়ে দিয়ে বিশ্রাম করার সময় বাড়াতে হবে গর্ভবতী মহিলাদের।
দুপুরে অন্তত একঘণ্টা শুতে হবে এবং রাতে 6 – 10 ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন একজন গর্ভবতী মহিলার। সুযোগ পেলেই বিশ্রাম নিতে হবে এবং অবশ্যই জানতে হবে কিভাবে নিজেকে শিথিল (Relax) করতে হয়। এছাড়াও গর্ভবতী মহিলার বিশ্রামের সময় সবচেয়ে ভালো অবস্থা হল বাঁদিকে শুয়ে পা সামান্য তুলে রেখে আরাম করা।
মানসিক ভাবে পাশে থাকতে হবে:
পরিবারের সকলে বিশেষত স্বামীকে বুঝতে হবে যে গর্ভবস্থায় মহিলাদের মনে নানা পরিবর্তন সুচিত হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে তাদের মানসিক সাহায্য করে গর্ভবর্তী মহিলাদের বোঝানো উচিত, যে এটা একটা স্বাভাবির ঘটনা। এছাড়াও ভালোবাসা, আদর যত্ন, সম্মান যদি গর্ভাবস্থায় মহিলারা পেয়ে থাকেন তবে তাঁরা চাপমুক্ত হয় এবং গর্ভাবস্থায় তাঁরা মানসিক ভাবে শান্তি পেয়ে গর্ভাবস্থার দিনগুলি আনন্দে কাটাতে পারেন। যাতে গর্ভাবস্থায় মহিলারা ভয়, দুশ্চিন্তামুক্ত হতে পারেন, সে জন্য তাদের উৎসাহ দিয়ে মনের নানা অনুভূতির প্রকাশ ঘটানো প্রয়োজন।
গর্ভাবস্থায় যৌন সম্পর্ক :
গর্ভবতী অবস্থায় মহিলাদের যে সমস্ত যৌন মিলন সম্পর্কিত বিষয় গুলো মনে রাখতে হবে-
◆ গর্ভাবস্থায় যৌন সংগমের ইচ্ছা বেড়ে যেতে বা কমে যেতে পারে এবং দুটি ইচ্ছাই কিন্তু এক্ষেত্রে স্বাভাবিক।
◆ গর্ভস্থ ভ্রূণ যখন স্বাভাবিক ভাবে বেড়ে ওঠে তখন যৌন সংসর্গ গর্ভস্থ ভ্রুণ বা গর্ভবতী মহিলার ক্ষেত্রে কোনো ভাবেই ক্ষতিকারক নয়। কিন্তু কোনো মহিলা যৌন সংসর্গের সময় বা তার ঠিক পরে যদি দেখেন যে তাঁর যৌনাঙ্গ থেকে জলের মতো স্রাব বা রক্তপাত হচ্ছে বা যদি অকাল প্রসব বেদনার কোন লক্ষণ দেখা যায় তাহলে যৌনসঙ্গম এড়িয়ে চলতে হবে। এছাড়াও গর্ভবস্থার ৬ মাসের পর যৌনসঙ্গম অসুবিধাজনক।
◆ যদি কোনো গর্ভবতী মহিলার আগে কোনো গর্ভপাতের অভিজ্ঞতা থাকে তবে তার সাথে যৌন সম্পর্ক গর্ভবস্থায় এড়িয়ে চলাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। এ ছাড়াও গর্ভবস্থায় প্রথম তিন মাসে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা এড়িয়ে যেতে পারলে ভালো হয়।
◆ সহবাসে অস্বস্তি এড়াতে মহিলা এবং তাঁর যৌনসঙ্গী বিভিন্ন আসন বা গদি ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
◆ গর্ভাবস্থায় পায়ুছিদ্র দিয়ে যৌন সক্ষম এড়িয়ে চলা উচিত, যাতে করে বিভিন্ন এস. টি. আটের (যৌনসংসর্গ জনিত সংক্রমণ) সংক্রমণের ঝুঁকি কমে যায়।
ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি:
এই সময় যে স্বাস্থ্যবিধি গুলো মেনে চলতে হয় সেগুলি হল-
১। প্রতিদিন স্নান করা।
২। প্রতিদিন এবং নিয়মিত যৌনাঙ্গ পরিষ্কার করা।
৩। পরিষ্কার, কাচা, সুতির এবং ঢিলেঢালা আরামদায়ক পোশাক পরা।
৪। স্তন পরিষ্কার রাখা, স্তনবৃত্ত যদি ছোটো এবং চাপা থাকে তবে আস্তে আস্তে উপরের দিকে টেনে তুলতে
হবে প্রতিদিন।
৫। পরিষ্কার এবং প্রবাহমান (Running Water) জল এবং মৃদু সাবান দিয়ে যৌনাঙ্গ এবং স্তন পরিষ্কার করতে হবে।
৬। মুখ এবং দাঁত প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হবে যাতে করে কোনো সংক্রমণ না হয়।
৭। নিয়মিত ভাবে মাথার চুল ধোয়া এবং আঁচড়ানো প্রয়োজন।
৮। নিয়মিত ভাবে বিছানার ঢাকা / চাদর (Bed cover) বদলে ফেলা এবং কেচে নেওয়া প্রয়োজন। (প্রভৃতি)
Author
-
জয়দেব বেরা ভারতবর্ষের একজন তরুণ কবি, সাহিত্যিক এবং লেখক। তিনি মানসী সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক। তিনি রামধনু ছদ্মনামে দুই বাংলায় পরিচিত। পিতার নাম রিন্টু বেরা ও মাতার নাম মানসী বেরা। তিনি ১৯৯৭ সালে ১২ই আগস্ট পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বৃন্দাবনপুর নামক গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মূলত গ্রাম্য পরিবেশে বড় হয়েছেন।তিনি বাজকুল মিলনী মহাবিদ্যালয় থেকে সমাজতত্ত্ব বিষয়ে অনার্স নিয়ে প্রথম শ্রেণীতে বি.এ. পাশ করেন। তিনি বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজতত্ত্ব বিষয়ের উপর প্রথম শ্রেণীতে দ্বিতীয় স্থান লাভ করে এম.এ. ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি হুগলির শ্রীরামপুর কলেজ থেকে Applied sociology এর উপর ডিপ্লোমা ডিগ্রী অর্জন করেন।এবং ২০২০ সালে Post Graduate Diploma In N.G.O. Management (A.U) ডিগ্রী অর্জন করেন।তিনি NSOU থেকে ২০২০ সালে Child Rights and Protection এর ওপর একটি কোর্স কমপ্লিট করেন।তিনি ২০২১ সালে NSOU থেকে MSW ডিগ্রী অর্জন করেন।তারপর তিনি ২০২২ সালে বি.এড.(WBUTTEPA) ডিগ্রি অর্জন করেন। এর পর তিনি ২০২২ সালে BLIS (NSOU) ডিগ্রি অর্জন এর জন্য ভর্তি হন।তিনি ভবিষ্যতে গবেষণা কে সামনে রেখে এগিয়ে যেতে চান। ●বিভিন্ন বিষয় চর্চা ও স্কলারশিপ:- Sociology, Social Work এর পাশাপাশি তিনি বিজ্ঞান, Astrology, আয়ুর্বেদ,যৌনবিদ্যা, ধর্ম শাস্ত্র, সাহিত্য প্রভৃতি সহ নানান বিষয়ে চর্চা করতেন।পড়াশোনার জন্য তিনি বহু সরকারি ও বেসরকারি স্করলারশিপ লাভ করেছেন। 'জাগ্রত ছাত্র সমাজের' পরীক্ষা দিয়ে মায়াপুর ইসকন মন্দির থেকে ২০১৩ সালে 'ভক্তিবেদান্ত স্কলারশিপ প্রাপ্ত হন।এছাড়াও তিনি ২০১৪ সালে 'ভূগোল' বিষয়ের উপর পরীক্ষা দিয়ে 'ভূগোল প্রস্তুতি মঞ্চ' থেকে প্রথম স্থান অধিকার করেন। ●পেশা: বর্তমানে তিনি উলুবেড়িয়ার সেবাব্রত ইনস্টিটিউট অফ নার্সিং,সঞ্জীবন কলেজ অফ নার্সিং এবং গভর্মেন্ট কলেজ অফ নার্সিং,শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় গভর্মেন্ট মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হসপিটাল, তমলুকের মাতঙ্গিনী গভর্মেন্ট কলেজ অফ নার্সিং-এ সমাজতত্ত্বের গেস্ট লেকচারার হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন।এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সংস্থায় কাউন্সেলর হিসেবেও নিযুক্ত রয়েছেন। তিনি ছাত্রাবস্থা থেকেই একজন অক্ষরকর্মী হিসেবে সুপরিচিতি। ●সদস্য: তিনি 'পশ্চিমবঙ্গ ইতিহাস সংসদ' (আজীবন সদস্য) এবং 'ব্রেকথ্রু সায়েন্স সোসাইটি' এর সদস্য। ●সাহিত্যকর্ম: আনন্দবাজার, যুগশঙ্খ, জয় বাংলা, দিনদর্পণ, বিপ্লবী সংবাদ দর্পণ, প্রাসঙ্গিক পত্রিকা, মুকুর পত্রিকা, নবপ্রয়াস পত্রিকা, সাতসকাল নিউজ পত্রিকা, শুভ্রা পত্রিকা, অল্পনার কবিতা পত্রিকা, পোস্টম্যান পত্রিকা, কবিতা কুটির পত্রিকা, রঙমিলান্তি পত্রিকা, শিল্পনীড় পত্রিকা, আপনজন, জীবিকা বাহার, বইসই, নববেলা (বাংলাদেশ), দৈনিক সুদীপ্ত চাঁদপুর(বাংলাদেশ),দৈনিক গড়ব বাংলাদেশ(বাংলাদেশ), দর্পণ (বাংলাদেশ), কালের ছবি পত্রিকা(বাংলাদেশ), প্রতিভার প্রভা (বাংলাদেশ), মাসিক ঝঞ্ঝা পত্রিকা(বাংলাদেশ), স্বপ্ননীড় পত্রিকা, প্যারিস টাইমস (প্যারিস), সাময়িকী (নরওয়ে), প্রভাত ফেরী(অস্ট্রেলিয়া), আশ্রম(কানাডা) সহ বহু ম্যাগাজিনে এবং দেশ - বিদেশের অসংখ্য পত্র-পত্রিকায় তাঁর লেখা সমাদৃত হয়েছে। ● সম্মাননা- তিনি লেখা-লেখির জন্য একাধিক সম্মাননা অর্জন করেছেন-দুইরত্ন সম্মান, কাব্য জোত্যি সম্মান, কবিরত্ন সম্মান, মুকুর শারদীয়া সম্মান-২০১৯, স্মারক সম্মান-২০১৯, মুকুর লেখনী সম্মান-২০২০, মুকুর সাহিত্য সংকল্প সম্মান, অণুছবি অণুকৃষ্টি সম্মান, কাব্যকণিকা রত্ন সম্মাননা, ঈশপ দলিত স্মৃতি সম্মাননা-২০২১(NYRA BOOKS), কাব্যশ্রী সম্মান, মধুশ্রী সাহিত্য সম্মাননা-২০২৩, প্রভৃতি। ● লেখালেখি ও গ্রন্থ সমূহ: পশ্চিমবঙ্গে তিনি সর্বপ্রথম ক্লাস চতুর্থ শ্রেণিতে বেসরকারি ভাবে সমাজতত্ত্ব পড়াশোনা চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। সমাজবিজ্ঞানে উনার দুটি নতুন ভাবনা হল- "সোশ্যাল ক্লিনিক" এবং "সামাজিক ডাক্তার"।তিনি CTN টিভিতে সাহিত্য ও সমাজতত্ত্ব নিয়ে নানান আলোচনা করেছেন।তিনি উচ্চ- মাধ্যমিক স্তরের WBHA টেষ্ট পেপারও (সমাজতত্ত্ব বিভাগ) রচনা করেছেন। তিনি ফিল্ম স্টোরি ও গান লেখার পাশাপাশি একাধিক একক ও যৌথ গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর লেখা ও পরিচালিত শর্ট ফিল্ম টি হল- 'প্রতারণা'। আর একটি শর্ট ফিল্ম স্টোরি হল-'পিরিয়ড' এবং 'পূজারিণী'। এবং তাঁর লেখা গান গুলি হল- 'একদিন যেতে হবে ভবপার রে', 'করোনা শেষ হবে কত দিনে', 'তোমাকে করব গো হৃদয়ের রানি' প্রভৃতি। তাঁর রচিত একক ও সম্পাদিত গ্রন্থ এবং জার্নাল গুলি হল- ★একক কাব্যগ্রন্থ- 'কবিতার ভেলা', 'কবিতায় মার্ক্সবাদ' , 'বাস্তবতা', 'কবিতারাও কথা বলে'। ★যৌথ কাব্যগ্রন্থ- কবিতার মহল্লা, প্রেমনগরী,দোহার, হেমন্তিকা, কাচের জানলা, দুই মলাটে কবিসভা, কবিতার চিলেকোঠা, সমকালের দুই বাংলার কবিতা-২ (বাংলাদেশ), নাম দিয়েছি ভালোবাসা, সৈকতের বালুকনা, কবির কল্পনায়, শব্দভূমি, হৃদয়ের প্রাঙ্গণে, কবিতা সংকলন-১, আলাপন, কবিতারা কথা বলে প্রভৃতি সহ একাধিক যৌথ কাব্যগ্রন্থ। ★একক প্রবন্ধ এর বই: 'জাগরণ', 'কোভিড-১৯ ও সমাজতত্ত্ব', 'নির্বাচিত প্রবন্ধ ও নিবন্ধ সমগ্ৰ (প্রথম খন্ড)'। ★একক নিবন্ধ এর বই : মনের কথামালা(বাংলাদেশ)।★সম্পাদনা মূলক বই- 'দলিত', 'পলাশের ডাকে বসন্ত প্রহরীরা','আদিবাসীদের সমাজ ও জীবনযাত্রা', 'প্রসঙ্গ ও প্রাসঙ্গিকতায় নারীবাদ'। ★সম্পাদনা মূলক জার্নাল- সেতু (ISSN: 2454-1923 14 th year, 37 Issue, December-2020.) ★একক সমাজতত্ত্বের বই/স্কুল পাঠ্য বই:- 'সমাজতাত্ত্বিকদের ইতিবৃত্ত', ' শিশুদের সমাজতত্ত্ব'(চতুর্থ শ্রেণি), 'উচ্চ মাধ্যমিক সমাজতত্ত্বের সাফল্য'(দ্বাদশ শ্রেনি), 'উচ্চ মাধ্যমিক সমাজতত্ত্বের প্রশ্ন সম্ভার (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), উচ্চ মাধ্যমিক সমাজতত্ত্বের সমাধান (দ্বাদশ শ্রেণি), সমাজতত্ত্ব ও সমাজকর্মের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় সেবা প্রকল্প (NSS) প্রভৃতি।
View all posts