পোশাক রপ্তানিতে সুখবর পাওয়া গেল ,নানাবিধ সমস্যা থাকার পরেও চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত প্রথম ৪ মাসে ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) ৭.৬ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩.৯৯শ তাংশ বেশি। এ বিষয়ে পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩–২৪অর্থবছরের জুলাই–অক্টোবরের মধ্যে স্পেন, নেদারল্যান্ডস , ইতালি, নেদারল্যান্ডস ও ফ্রান্সে বাংলাদেশ পোশাক রপ্তানিতে যথাক্রমে ১৮.০৭ শতাংশ, ১২.৭৩ শতাংশ ,৯.৮৮ শতাংশ ও২.৫৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। অন্যদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বৃহত্তম রপ্তানি বাজার, জার্মানিতে ২০২২–২৩ সালের জুলাই–অক্টোবর সময়ে রপ্তানি ২.০৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারথেকে ১১.৪৯ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ২০২৩–২৪ অর্থবছরের জুলাই–অক্টোবরে রপ্তানি ১.৮১বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে।
বছরওয়ারি ৩.০৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধিসহ ২০২৩–২৪ সালের জুলাই–অক্টোবর মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আমাদের পোশাক রপ্তানি ২.৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছিল। একই সময়েযুক্তরাজ্য ও কানাডায় রপ্তানি যথাক্রমে ১৪.৬৩ শতাংশ (ধনাত্মক) প্রবৃদ্ধি এবং ১.৫৩শতাংশ ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে ১.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ৪৬২.৮৬ মিলিয়ন মার্কিনডলারে পৌঁছেছে।
এ প্রসঙ্গে বিজিএমইএর মুখপাত্র মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, ‘২০২৩–২৪ অর্থবছরেরজুলাই–অক্টোবরের মধ্যে অপ্রচলিত বাজারে আমাদের পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একইসময়ের মধ্যে ২.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ১৭.০১ শতাংশ বেড়ে ২.৮৬ বিলিয়নমার্কিন ডলার হয়েছে। প্রধান অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণকোরিয়ায় রপ্তানি যথাক্রমে ২৩.০৩ শতাংশ, ৪৫.৪৪ শতাংশ এবং ২৯.৮৫ শতাংশ বেড়েছে।তবে ভারতে আমাদের পোশাক রপ্তানি ১২.৮ শতাংশ কমেছে।
উল্লেখ্য, ২০২৩–২৪ সালের জুলাই–অক্টোবরে বিশ্বে মোট রপ্তানি হয়েছে ১৪.৭৮ বিলিয়নমার্কিন ডলার, যা এক বছর আগের একই সময়ে ১৩.৯৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায়৫.৯৫ শতাংশ বেড়েছে। বিজিএমইএর মুখপাত্র আশা করেন রাজনৈতিক অস্থিরতা ওপোশাক শ্রমিকদের অসন্তোস কমে গেলে ভবিষ্যতে আরও প্রবৃদ্ধি হবে।