অর্থ লিপি.কম

৪ মার্চ ২০২৬ বুধবার ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২

বিএসইসির চেয়ারম্যানের নিয়োগ, বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও পদত্যাগ দাবি নিয়ে যতকথা

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

ঘটনাবহুল গত ৫ই আগস্টের নতুন রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পরে দেশের প্রত্তিটি সেক্টরে দায়িত্ব থাকা লোকজনকে সরিয়ে যোগ্য লোকজন নিয়োগ দিয়ে সংস্কার এবং পুনর্গঠন চলতেছে।

তারই ধারাবাহিকতায় শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের পুনর্গঠন করে জনাব রাসেদ মাকসুদ সাহেব কে চেয়ারম্যান করা হয়। বিগত সরকারের শিবলী, সালমান ও লোটাস কামালরা এ দেশের শেয়ার মার্কেট টাকে চুরি ডাকাতি লুট পাটের মাধ্যমে ৩০ লক্ষ পরিবারকে পথে বসিয়েছিল।

নতুন চেয়ারম্যান মাকসুদ সাহেব দায়িত্ব নেওয়ার পরে সবাই আশায় বুক বেঁধেছিল- যে এবার ভালো কিছু হবে, কিন্তু দায়িত্ব পেয়ে তিনি যেভাবে খুব তড়িৎ এবং কোনরকম গভীর ভাবে বিভিন্ন জনের সাথে- স্টেক হোল্ডারদের সাথে আলাপ না করে এককভাবে প্রত্যেক দিন বিভিন্ন নেতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতেছেন। এতে করে বিনিয়োগকারীরা রাতারাতি লসের সম্মুক্ষীন হচ্ছেন।

যে কারণে খুব অল্প দিনের ব্যবধানে ওনার পদত্যাগের জোরালো দাবি উঠেছে। পাশাপাশি অনেকে এটাও বলছে যে, উনি যেসব সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন সেসব সিদ্ধান্ত সাধারণ বিনিয়োগকারীদের উপকারের জন্যই নিচ্ছেন। আমরা স্বীকার করে উনি যেসব সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন তাহা আমাদের সাধারন বিনিয়োগকারীদের জন্য নিচ্ছেন।

কিন্তু এখানে একটা কথা থেকে যায়- একজন রোগীকে যদি অপারেশন করতে হয় তার আগে তার বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখতে হয়, তার শরীরে কি কি সমস্যা আছে সমস্যা গুলো নিরূপণ করে একটা একটা করে সমাধান করতে হয়। রুগীর শরীরে যদি ডায়াবেটিস থাকে অতিমাত্রায়- আগে ডায়াবেটিসের মাত্রা কমিয়ে তারপরে অপারেশনে যেতে হয, একটা একটা করে। অন্যথায় অপারেশন করলে রোগী দ্রুত মারা যাওয়ার বা হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

সদ্য পদত্যাগ করা স্বৈরাচারী সরকারের ১৫-১৬ বছরের লুটপাটের সংস্কার রাতারাতি বা এক মাসের মধ্যে সম্ভব না। তাই উনার উচিত ছিল- প্রথমে বাজারকে কিভাবে স্ট্যাবল করা যায়, এখন কিভাবে নতুন বিনিয়োগকারী নিয়ে আসা যায়। তারপরে সমস্যা গুলো চিহ্নিত করে ধাপে ধাপে সংস্কার কাজ করা। সেটা না করে তিনি সংস্কারের নামে যেভাবে প্রতিনিয়ত বিনিয়োগকারীদেরকে বিপদে ঠেলে দিচ্ছেন, সেটা কোনভাবে কাম্য নয়।

আমরা সাধারণ বিনিয়োগকারী হিসাবে চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে দাবি করি এবং আশা করি যেন উনি প্রথমে বাজার স্টেবল করা এবং নতুন বিনিয়োগকারী এনে বাজারকে দীর্ঘমেয়াদী ভালো করার জন্য, বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
শেয়ার বাজারের এই ক্রান্তিলগ্নে আমরা আশা করব তার যথাপুযোক্ত কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রুহণ করে শেয়ার বাজারের উন্নয়নে আশু পদক্ষেপ নিবেন।

লিখেছেন

ফারুক আল নাহিয়ান

একজন শেয়ার বাজার বিনিয়োগকারী।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।