বাংলাদেশ ক্রিকেট বিশ্বকাপে খেলার পর থেকে এই প্রথম সারাদেশের লোকজনের মধ্যে বিশ্বকাপের খেলা নিয়ে কোন আগ্রহ দেখা যাচ্ছেনা।সামনে যে ৪ টি দলের সাথে খেলা আছে তার মধ্যে শুধুমাত্র স্কটল্যান্ডের সাথেই জয় পেতে পারে এমন অনুমান সবার।সেমিফাইনালে খেলার আশা করা এখন অসম্ভব হয়ে দাড়িয়েছে।
প্রকৃত পক্ষে সেমিফাইনালে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বাংলাদেশের ১০% , তবে বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান স্বপ্ন দেখছেন। বাংলাদেশের এই ক্রিকেটার এখনও মনে করছেন সেমিফাইনালের সব বন্ধ হয়ে যায়নি। আশা শেষ হয়ে যায়নি। পয়েন্ট টেবিলে যেভাবে উঠা–নামা করছে তাতে জয়ের ধারায় ফিরলে বাংলাদেশও চলতে শুরু করবে।
আজকে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ দক্ষিণ আফ্রিকা। এই দলটি এখন বিশ্বকাপে উড়ছে।নেদারল্যান্ডসের কাছে হারলেও তাদের ব্যাটিং বোলিং শক্তিশালী। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়েস্টেডিয়ামে আগের ম্যাচেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩৯৯ রান করে ম্যাচ জিতে ছিল ২২৩ রানে।ব্যাটিং বোলিংয়ে ইংলিশদের গুড়িয়ে দিয়েছিল। আবার সেই মাঠেই আজ বাংলাদেশকেপাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
উল্লেখ্য দক্ষিণ আফ্রিকার বেশির ভাগ ক্রিকেটার আইপিএল খেলেছেন। তাদের কোচিংস্টাফরাও ভারতের পিচ আবহাওয়া সম্পর্কে জানে। সেই ফায়দাটা খুব ভালো নিচ্ছেন।ওয়াংখেড়ের ব্যাটিং পিচ। ভালো ক্রিকেটে খেললে বোলাররা সুবিধা নিতে পারে। যেমনটাইংল্যান্ডের বিপক্ষে করে দেখিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। সাকিব চাইছেন টস জিততে। কিন্তু টসজিতে কি ব্যাট করবেন নাকি বল করবেন। সেটা সাকিবের মাথায় আছে। আর অন্য একটিপরিসংখ্যান বলছে শেষ ১৫ ম্যাচের ১০টিতেই রান তাড়া করে হেরেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এরমধ্যে এবার বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে রান তাড়া করেও হেরেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা।
আশার কথা গত বিশ্বকাপে ওভালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশ ম্যাচ জিতেছিল।সেকথা ভুলেনি প্রোটিয়ারা। কাল সংবাদ সম্মেলনে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটার এইডেন মার্কজানিয়ে গেলেন বাংলাদেশকে বড় দলই ভাবছেন তারা।তাদের সমীহ করেই খেলবেন তারা।
দেশের খেলোয়াড়দের সামর্থ অনুযায়ী খেলবে এটাই সাভাবিক ।আর এই সাভাবিকতা দেশের সব মানুষ মেনেও নিচ্ছিলেন বিগত বিশ্বকাপগুলিতে ,ছিলনা কোন রাগ ক্ষোভ কিন্তু এবছর খেলোয়াড় নির্বাচন নিয়ে নানা ধরনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সারাদেশের মানুষ বিশ্বকাপের খেলা দেখছেনা বল্লেই চলে।দলাদলি ,চামচামি ও ক্রিকেট বোর্ডের নানা অনিয়মে দেশের ক্রিকেট ডুবতে বসেছে।