দেশে বাজারে নিত্যপণ্যের দামের ঊর্ধ্বমূখী অবস্থায় ক্রেতাদের এখন নাভিশ্বাস। বিদায়ী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গঠিত সিন্ডিকেটের কারণে ডিম, মাছ ও সবজির বাজারের আগুন অন্তর্বর্তী সরকারও নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। উল্টো অনেকক্ষেত্রে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ যেন অসম্ভব হয়ে উঠছে।
পূজা উপলক্ষে সীমান্ত দিয়ে আমদানি-রফতানি বন্ধের অজুহাতে বাড়ানো হয়েছে ফলের দাম।
এমন অবস্থায় জনগণের পুষ্টির জোগান ফলও যেন ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। গত কয়েকদিনে বিভিন্ন ফলে কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে ২০-৩০ টাকা। যদিও বিক্রেতারা বলছে পূজা উপলক্ষে সীমান্ত বন্ধ থাকায় এই দামবৃদ্ধি। যদিও যথেষ্ট পরিমাণ ফলের মজুত থাকার কথাও স্বীকার করেছেন তারা।
আজ শুক্রবারের (১১ অক্টোবর) হালনাগাদ বাজারমূল্য অনুযায়ী হলুদ মাল্টা ২৮০ টাকা, সবুজ মাল্টা ৮০-১০০ টাকা, সবুজ আপেল ৩৫০ টাকা, রয়্যাল গালা আপেল ৪০০ টাকা, ফুজি আপেল ৩৫০ টাকা, নাশপাতি ৪০০ টাকা, আনার ৭০০ টাকা, কমলা ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। লাল আঙুর ৪৮০ টাকা, সবুজ আঙুর ৬৫০ টাকা, পেঁপে ৯০ থেকে ১০০ টাকা কেজি, পেয়ারা ৭০-৮০ টাকা, ডাব প্রতি পিস ১২০-১৬০ টাকা ও মানভেদে প্রতি পিস আনারস ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ফলের কেজিতে অন্তত ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে ফলের দাম, আগেই দাম কিছুটা বাড়তি ছিল। কিন্তু পূজায় বর্ডার বন্ধ থাকায় আমদানি বন্ধ। এতে দাম আরও বাড়িয়ে দিয়েছে ফল বিক্রেতারা।
তবে খেজুরের দাম আগেরটাই আছে। নতুন করে বাড়েনি। বাজার গুরে দেখা গেছে দাবাস খেজুর ৪৬০ থেকে ৪৮০ টাকা, আজওয়া খেজুর ১ হাজার ২০০ টাকা, বরই খেজুর ৫০০ থেকে ৫৮০ টাকা, মরিয়ম খেজুর ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা ও মেডজুল খেজুর বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
Author
-
'অর্থ লিপি ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।
View all posts
'অর্থ লিপি ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।