অর্থ লিপি

১০ মার্চ ২০২৬ মঙ্গলবার ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২

ভাইরাস জ্বর নিরাময়ে ঔষধ নয়

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “অর্থ লিপি.কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  www.facebook.com/OrthoLipi

সাধারণ ঠান্ডা জ্বর, নিউমোনিয়া, করোনা, ডেঙ্গু যে জ্বরই হোক না কেন তার মূলে থাকেবিভিন্ন প্রজাতির ভাইরাস ইনফেকশন।

আপনার ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী থাকলে, আপনি হয়তো টেরও পাবেন না কিংবা অল্প সময়ের জন্য হালকা কিছু সিম্পটম (সর্দি, কাশি, গা গরম, হালকা গাব্যথা বা মাথাব্যথা, ক্ষুধামান্দ্য, দুর্বলতা ইত্যাদি) দেখা দিতে পারে। কিন্তু শিশুদের ক্ষেত্রে (যাদের এখনও পর্যাপ্ত ইমিউনিটি বিল্ডআপ করেনি) কিংবা বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে কিংবা যাদের ইমিউন সিস্টেম দুর্বল তাদের ক্ষেত্রে এসব ভাইরাস যথেষ্ট ভোগাতেপারে।

আপনার যদি অন্য কোন বড় শারীরিক জটিলতা না থাকে, তবে যে জ্বরই হোক না কেনআপনার ইমিউন সিস্টেমই তা নিরাময় করতে যথেষ্ট। দুটো সিম্পটম নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন হয়েযাইজ্বর (উচ্চ তাপমাত্রা) এবং ক্ষুধামান্দ্য। অথচ এই সিম্পটম দুটো ইমিউন সিস্টেম এরঅতি গুরুত্বপূর্ণ টুলস। দেহের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় ভাইরাস বেশিদিন টিকে থাকতে পারেনা। সুতরাং জ্বর কমানোর জন্য প্যারাসিটামল খাওয়ার কোন দরকার নেই (১০৪ ডিগ্রিরবেশি না হলে) বরং প্যারাসিটামল খেলে ভাইরাসের জন্য টিকে থাকা সহজ হয়। আরক্ষুধামান্দ্যও খুবই স্বাভাবিক প্রয়োজনীয় সিম্পটম। খাদ্য পরিপাকে প্রচুর এনার্জি ব্যয় হয়।জ্বর হলে এই এনার্জি সেইভ করে ভাইরাস নিধনে ইমিউন সিস্টেম সর্বশক্তি প্রয়োগ করারসুযোগ পায়। এই সময় দেহ চায় দেহে সঞ্চিত ফুয়েল (গ্লাইকোজেন ফ্যাট) হতে শক্তিউৎপাদন করতেখাদ্য থেকে নয়। এই জন্যই ক্ষুধামান্দ্য বমিবমি ভাব সৃষ্টি হয়।

মনে রাখবেন, ভাইরাস জনিত যে কোন জ্বর নিরাময়ের কোন ঔষধ অদ্যাবধি আবিষ্কার হয়নি। তাহলে রোগী কি করবে?

পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিবে। তাপমাত্রা বেড়ে গেলে মাথায় ঠান্ডা পানি দিবে, গা মুছে দিবে, ভারী খাবারের পরিবর্তে বিভিন্ন ফল, নরম ভাত খাবে, আদা চা, লেবুর শরবত, ডাবের পানি, স্যালাইন ইত্যাদি খাবে

কেবল জটিল সিম্পটম দেখা দিলে কিংবা ১০১২ দিনেও ভাল না হলে চিকিৎসকের দারস্থ হতে হবে।

ফুসফুসের কর্মক্ষমতা হ্রাস পেলে বা রক্তে অক্সিজেন লেভেল কমে গেলে রোগীকে আর্টিফিশিয়ালি অক্সিজেন সরবরাহ করতে হবে।

জ্বর হলেই অ্যান্টিবায়োটিক খাবেন না, বাংলাদেশে জ্বর হলেই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার প্রবণতা অনেকেরই। তারা মনে করেন, তাতে দ্রুত সুস্থ হওয়া যাবে, এই ধারণা ঠিক নয়। বরং কোনো কোনো জ্বরে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ বিপদ ডেকে আনতে পারে। কোন অবস্থায়ই ডাক্তারের সঠিক পরামর্শ  ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া যাবেনা।

Author

Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।