ম্যালেরিয়া একটি সাধারণ সংক্রমণ, যা মারণ রোগও হতে পারে।মূলত গ্রীষ্মপ্রধান বহু দেশে অর্থাৎ আফ্রিকা, এশিয়া, এবং দক্ষিণ আমেরিকার গ্রীষ্মপ্রধান এলাকায় এটি ভীষণভাবে ছড়িয়ে আছে। পরজীবী প্লাসমোডিয়ামের কারণে এটি ছড়ায়। প্লাসমোডিয়ামের পাঁচটি প্রজাতি ম্যালেরিয়া ছড়ায়। যথা- পি ফ্যালসিপেরাম, পি ভাইভ্যাক্স, পি ওভালে, পি কোলেস এবং পি ম্যালারিয়ে।
স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা(যা হচ্ছে রোগের বাহক বা ভেক্টর) মানুষকে কামড়ালে পরজীবীটি সংক্রমিত হয়। একবার পরজীবীটি মানুষের রক্তে প্রবেশ করলে তা বেড়ে ওঠে এবং যকৃতে তার বৃদ্ধি হতে শুরু করে এবং তারপর এটি লোহিত রক্তকণিকা আক্রমণ করে তাদেরকে ধ্বংস করে। অন্যভাবে বলা যায় যে, ম্যালেরিয়া হল এমন একটি রোগ যা মানবদেহের রক্তে খুব ছোটদেহী ম্যালেরিয়া প্যারাসাইটের উপস্থিতির ফলে হয়ে থাকে।
এই ম্যালেরিয়া প্যারাসাইটগুলি এতই ছোটো যে তা অনুবীক্ষণ যন্ত্র ছাড়া দেখাও যায় না। তারা রক্ত কোষের মধ্যেই খাবার খায়, বংশবৃদ্ধি করে এবং ওই কোশগুলোকে ধ্বংস করে দেয় (WHO 1996)। ম্যালেরিয়া স্ত্রী অ্যানোফেলিস মশার কামড়ে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশ ও ভারতে মূলত জুলাই থেকে নভেম্বর মাস সময়কার ম্যালেরিয়া খুবই দেখা যায়। কারণ এই সময় বাংলাদেশ ও ভারতবর্ষের গ্রাম গুলোতে বৃষ্টির জল জমে থাকে যা মশার বংশবৃদ্ধিতে সহায়ক হয়।
প্রতি বছর ম্যালেরিয়ার কারণে ৮ লক্ষ্য মানুষের মৃত্যু হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO)মতে, ম্যালেরিয়ার কারণে প্রতি ৪৫ সেকেন্ডে একটি করে শিশুর মৃত্যু হয়। এই রোগের ইতিহাস সুপ্রাচীন, এবং সুদূর ৬০০০ বিসিতেও একই ধরনের জ্বরের উল্লেখ পাওয়া যায়। এটি খুবই সাধারণ এবং বহু এলাকায়, বিশেষত গ্রীষ্মপ্রধান দেশের বিস্তৃত এলাকায় ছড়ানো একটি রোগ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) ২০২০’র বিশ্ব ম্যালেরিয়া প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এই প্রতিবেদনে সমগ্র বিশ্বের ম্যালেরিয়ার আক্রান্ত ও মৃত্যুর বিভিন্ন তথ্য প্রকাশ করা হয়ে থাকে। গাণিতিক বিশ্লেষণের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবেদনে পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ ও নিয়ন্ত্রণ লক্ষ্যণীয়ভাবে কমানো সম্ভব হয়েছে। ২০১৮’কে ভারতকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসাবে উল্লেখ করা হলেও ২০১৯ এ পতঙ্গ বাহিত এই রোগের প্রাদুর্ভাব ১৭.৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
বার্ষিক পরজীবী সংক্রমণ সম্পর্কিত ঘটনাগুলির সূচকে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ ভারতে ২০১৭’র তুলনায় ২০১৮’তে ২৭.৬ শতাংশ কমেছে। অন্যদিকে, ২০১৮’র তুলনায় ২০১৯ এ প্রকোপ হ্রাস পেয়েছে ১৮.৪ শতাংশ। ২০১২ থেকে লাগাতার বার্ষিক পরজীবী সংক্রমণ সংক্রান্ত সূচকে একবার বাদে প্রত্যেক বার ভারতের অগ্রগতি অব্যাহত রয়েছে।
আঞ্চলিক-ভিত্তিতে ভারতে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ সবচেয়ে কমেছে। সংখ্যার নিরিখে ম্যালেরিয়ার আক্রান্তের ঘটনা প্রায় ২ কোটি থেকে কমে ৬০ লক্ষের কাছাকাছি হয়েছে। একইভাবে, ২০০০ সাল থেকে ২০১৯ পর্যন্ত ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের ঘটনা ৭১.৮ শতাংশ কমেছে এবং মৃত্যুর ঘটনাও কমেছে ৭৩.৯ শতাংশ।
ম্যালেরিয়া লক্ষণ
এই রোগের লক্ষণ গুলি হল-
১। নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর জ্বর।
২। প্রত্যেকবার জ্বর অনেকক্ষণ ধরে থাকে এবং সাধারণত শুরু হয় কাঁপুনি দিয়ে এবং ছেড়ে যায় প্রচুর ঘাম দিয়ে।
৩। মাথাব্যথা, পিঠে, গ্রন্থি এবং সারা শরীরে যন্ত্রণা।
৪। খিদে মন্দা, বমি, ডায়ারিয়া।
৫। বারবার যদি ম্যালেরিয়া হয় তবে তার থেকে রক্তাল্পতা দেখা যায় এবং শরীর দুর্বলও হয়ে পড়ে।
৬। জ্বর সাধারণত একদিন পর পর আসে তবে কিছু ক্ষেত্রে প্রতিদিনও আসতে পারে।
৭। গভীরভাবে শ্বাস নেওয়া, শ্বাস নেওয়ার অসুবিধা।
৮। রক্তাল্পতার অভাস, যেমন ক্লান্তি এবং সাধারণ দুর্বলতা ইত্যাদি।
ম্যালেরিয়া রোগের কারণ
ম্যালেরিয়া প্যারাসাইট (পরজীবি) মানবদেহে প্রবেশ এবং পরিত্যাগ করে স্ত্রী অ্যানোফেলিস মশার কামড়ের দ্বারা। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে (১৯৯৬), যখন কোনো মশা কোনো ব্যক্তিকে কামড়ায় তখন সে মানবদেহ থেকে রক্ত চুষে নেয়। এখন যদি সেই ব্যক্তির শরীরে ম্যালেরিয়া থাকে তবে কিছু পরজীবি বা ম্যালেরিয়ার কিছু জীবাণুও ওই মশা রক্তের সাথে চুষে নিজ শরীরে ধারণ করে।
ওই জীবাণুরা এর পর বংশবৃদ্ধি করে এবং বেড়ে ওঠে মশাটির মধ্যে এবং ১০ থেকে ১৪ দিন পর তারা পূর্ণতাপ্রাপ্ত হয়ে ওঠে অন্য একটি দেহকে সংক্রামিত করার জন্য।
নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিরোধ
১। মশারি ব্যবহার করে ঘুমাতে যাওয়া।
২। মশা মারার কীটনাশক বাড়ির অভ্যন্তরের দেওয়ালে ছড়িয়ে দেওয়া।
৩। যুগ্ম থেরাপি অর্থাৎ বিভিন্ন ওষুধ একযোগে ব্যবহার করে ম্যালেরিয়ার কার্যকর চিকিৎসা করা সম্ভব, যেগুলি একসঙ্গে যকৃতে এবং রক্তে উপস্থিত পরজীবীদের ওপর কাজ করে এবং সংক্রমণ বৃদ্ধি রোধ করে।
৪। নিম পাতার ধোঁয়া দিয়ে ঘর মশা মুক্ত করা।
৫। মশার লার্ভা মেরে ফেলতে হবে কীটনাশক দিয়ে।
৬। বাড়ির চারিপাশ পরিস্কার রাখা।
৭। জ্বর হলেই অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া।
Author
-
জয়দেব বেরা ভারতবর্ষের একজন তরুণ কবি, সাহিত্যিক এবং লেখক। তিনি মানসী সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক। তিনি রামধনু ছদ্মনামে দুই বাংলায় পরিচিত। পিতার নাম রিন্টু বেরা ও মাতার নাম মানসী বেরা। তিনি ১৯৯৭ সালে ১২ই আগস্ট পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বৃন্দাবনপুর নামক গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মূলত গ্রাম্য পরিবেশে বড় হয়েছেন।তিনি বাজকুল মিলনী মহাবিদ্যালয় থেকে সমাজতত্ত্ব বিষয়ে অনার্স নিয়ে প্রথম শ্রেণীতে বি.এ. পাশ করেন। তিনি বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজতত্ত্ব বিষয়ের উপর প্রথম শ্রেণীতে দ্বিতীয় স্থান লাভ করে এম.এ. ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি হুগলির শ্রীরামপুর কলেজ থেকে Applied sociology এর উপর ডিপ্লোমা ডিগ্রী অর্জন করেন।এবং ২০২০ সালে Post Graduate Diploma In N.G.O. Management (A.U) ডিগ্রী অর্জন করেন।তিনি NSOU থেকে ২০২০ সালে Child Rights and Protection এর ওপর একটি কোর্স কমপ্লিট করেন।তিনি ২০২১ সালে NSOU থেকে MSW ডিগ্রী অর্জন করেন।তারপর তিনি ২০২২ সালে বি.এড.(WBUTTEPA) ডিগ্রি অর্জন করেন। এর পর তিনি ২০২২ সালে BLIS (NSOU) ডিগ্রি অর্জন এর জন্য ভর্তি হন।তিনি ভবিষ্যতে গবেষণা কে সামনে রেখে এগিয়ে যেতে চান। ●বিভিন্ন বিষয় চর্চা ও স্কলারশিপ:- Sociology, Social Work এর পাশাপাশি তিনি বিজ্ঞান, Astrology, আয়ুর্বেদ,যৌনবিদ্যা, ধর্ম শাস্ত্র, সাহিত্য প্রভৃতি সহ নানান বিষয়ে চর্চা করতেন।পড়াশোনার জন্য তিনি বহু সরকারি ও বেসরকারি স্করলারশিপ লাভ করেছেন। 'জাগ্রত ছাত্র সমাজের' পরীক্ষা দিয়ে মায়াপুর ইসকন মন্দির থেকে ২০১৩ সালে 'ভক্তিবেদান্ত স্কলারশিপ প্রাপ্ত হন।এছাড়াও তিনি ২০১৪ সালে 'ভূগোল' বিষয়ের উপর পরীক্ষা দিয়ে 'ভূগোল প্রস্তুতি মঞ্চ' থেকে প্রথম স্থান অধিকার করেন। ●পেশা: বর্তমানে তিনি উলুবেড়িয়ার সেবাব্রত ইনস্টিটিউট অফ নার্সিং,সঞ্জীবন কলেজ অফ নার্সিং এবং গভর্মেন্ট কলেজ অফ নার্সিং,শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় গভর্মেন্ট মেডিক্যাল কলেজ এন্ড হসপিটাল, তমলুকের মাতঙ্গিনী গভর্মেন্ট কলেজ অফ নার্সিং-এ সমাজতত্ত্বের গেস্ট লেকচারার হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন।এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সংস্থায় কাউন্সেলর হিসেবেও নিযুক্ত রয়েছেন। তিনি ছাত্রাবস্থা থেকেই একজন অক্ষরকর্মী হিসেবে সুপরিচিতি। ●সদস্য: তিনি 'পশ্চিমবঙ্গ ইতিহাস সংসদ' (আজীবন সদস্য) এবং 'ব্রেকথ্রু সায়েন্স সোসাইটি' এর সদস্য। ●সাহিত্যকর্ম: আনন্দবাজার, যুগশঙ্খ, জয় বাংলা, দিনদর্পণ, বিপ্লবী সংবাদ দর্পণ, প্রাসঙ্গিক পত্রিকা, মুকুর পত্রিকা, নবপ্রয়াস পত্রিকা, সাতসকাল নিউজ পত্রিকা, শুভ্রা পত্রিকা, অল্পনার কবিতা পত্রিকা, পোস্টম্যান পত্রিকা, কবিতা কুটির পত্রিকা, রঙমিলান্তি পত্রিকা, শিল্পনীড় পত্রিকা, আপনজন, জীবিকা বাহার, বইসই, নববেলা (বাংলাদেশ), দৈনিক সুদীপ্ত চাঁদপুর(বাংলাদেশ),দৈনিক গড়ব বাংলাদেশ(বাংলাদেশ), দর্পণ (বাংলাদেশ), কালের ছবি পত্রিকা(বাংলাদেশ), প্রতিভার প্রভা (বাংলাদেশ), মাসিক ঝঞ্ঝা পত্রিকা(বাংলাদেশ), স্বপ্ননীড় পত্রিকা, প্যারিস টাইমস (প্যারিস), সাময়িকী (নরওয়ে), প্রভাত ফেরী(অস্ট্রেলিয়া), আশ্রম(কানাডা) সহ বহু ম্যাগাজিনে এবং দেশ - বিদেশের অসংখ্য পত্র-পত্রিকায় তাঁর লেখা সমাদৃত হয়েছে। ● সম্মাননা- তিনি লেখা-লেখির জন্য একাধিক সম্মাননা অর্জন করেছেন-দুইরত্ন সম্মান, কাব্য জোত্যি সম্মান, কবিরত্ন সম্মান, মুকুর শারদীয়া সম্মান-২০১৯, স্মারক সম্মান-২০১৯, মুকুর লেখনী সম্মান-২০২০, মুকুর সাহিত্য সংকল্প সম্মান, অণুছবি অণুকৃষ্টি সম্মান, কাব্যকণিকা রত্ন সম্মাননা, ঈশপ দলিত স্মৃতি সম্মাননা-২০২১(NYRA BOOKS), কাব্যশ্রী সম্মান, মধুশ্রী সাহিত্য সম্মাননা-২০২৩, প্রভৃতি। ● লেখালেখি ও গ্রন্থ সমূহ: পশ্চিমবঙ্গে তিনি সর্বপ্রথম ক্লাস চতুর্থ শ্রেণিতে বেসরকারি ভাবে সমাজতত্ত্ব পড়াশোনা চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। সমাজবিজ্ঞানে উনার দুটি নতুন ভাবনা হল- "সোশ্যাল ক্লিনিক" এবং "সামাজিক ডাক্তার"।তিনি CTN টিভিতে সাহিত্য ও সমাজতত্ত্ব নিয়ে নানান আলোচনা করেছেন।তিনি উচ্চ- মাধ্যমিক স্তরের WBHA টেষ্ট পেপারও (সমাজতত্ত্ব বিভাগ) রচনা করেছেন। তিনি ফিল্ম স্টোরি ও গান লেখার পাশাপাশি একাধিক একক ও যৌথ গ্রন্থ রচনা করেছেন। তাঁর লেখা ও পরিচালিত শর্ট ফিল্ম টি হল- 'প্রতারণা'। আর একটি শর্ট ফিল্ম স্টোরি হল-'পিরিয়ড' এবং 'পূজারিণী'। এবং তাঁর লেখা গান গুলি হল- 'একদিন যেতে হবে ভবপার রে', 'করোনা শেষ হবে কত দিনে', 'তোমাকে করব গো হৃদয়ের রানি' প্রভৃতি। তাঁর রচিত একক ও সম্পাদিত গ্রন্থ এবং জার্নাল গুলি হল- ★একক কাব্যগ্রন্থ- 'কবিতার ভেলা', 'কবিতায় মার্ক্সবাদ' , 'বাস্তবতা', 'কবিতারাও কথা বলে'। ★যৌথ কাব্যগ্রন্থ- কবিতার মহল্লা, প্রেমনগরী,দোহার, হেমন্তিকা, কাচের জানলা, দুই মলাটে কবিসভা, কবিতার চিলেকোঠা, সমকালের দুই বাংলার কবিতা-২ (বাংলাদেশ), নাম দিয়েছি ভালোবাসা, সৈকতের বালুকনা, কবির কল্পনায়, শব্দভূমি, হৃদয়ের প্রাঙ্গণে, কবিতা সংকলন-১, আলাপন, কবিতারা কথা বলে প্রভৃতি সহ একাধিক যৌথ কাব্যগ্রন্থ। ★একক প্রবন্ধ এর বই: 'জাগরণ', 'কোভিড-১৯ ও সমাজতত্ত্ব', 'নির্বাচিত প্রবন্ধ ও নিবন্ধ সমগ্ৰ (প্রথম খন্ড)'। ★একক নিবন্ধ এর বই : মনের কথামালা(বাংলাদেশ)।★সম্পাদনা মূলক বই- 'দলিত', 'পলাশের ডাকে বসন্ত প্রহরীরা','আদিবাসীদের সমাজ ও জীবনযাত্রা', 'প্রসঙ্গ ও প্রাসঙ্গিকতায় নারীবাদ'। ★সম্পাদনা মূলক জার্নাল- সেতু (ISSN: 2454-1923 14 th year, 37 Issue, December-2020.) ★একক সমাজতত্ত্বের বই/স্কুল পাঠ্য বই:- 'সমাজতাত্ত্বিকদের ইতিবৃত্ত', ' শিশুদের সমাজতত্ত্ব'(চতুর্থ শ্রেণি), 'উচ্চ মাধ্যমিক সমাজতত্ত্বের সাফল্য'(দ্বাদশ শ্রেনি), 'উচ্চ মাধ্যমিক সমাজতত্ত্বের প্রশ্ন সম্ভার (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), উচ্চ মাধ্যমিক সমাজতত্ত্বের সমাধান (দ্বাদশ শ্রেণি), সমাজতত্ত্ব ও সমাজকর্মের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় সেবা প্রকল্প (NSS) প্রভৃতি।
View all posts