দেশের স্বনামধন্য রাষ্ট্র মালিকানাধীন সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে স্বেচ্ছায় একীভূত হওয়ার জন্য বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) সমঝোতা চুক্তি করেছে।
গতকাল রবিবার (১২ মে)বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই চুক্তি সই হয়। এ সময় সোনালী ব্যাংক ও বিডিবিএলের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তবে সরকারি ব্যাংকের প্রতিনিধি হিসেবে সরকারের কেউ উপস্থিত ছিলেন না।
এই চুক্তি সইয়ের পর এখন ব্যাংক দুটির সম্পদ ও দায় পর্যালোচনা করা হবে। এরপরই নানা প্রক্রিয়া শেষে একীভূত হবে ব্যাংক দুটি। এদিকে একীভূত হওয়ার চুক্তিতে আতঙ্কে ভুগছেন বিডিবিএলের কর্মীরা। কারণ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী একীভূত হওয়ার তিন বছর পর দুর্বল ব্যাংকের কর্মীদের কর্মদক্ষতা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে অধিগ্রহণকারী ব্যাংক।
চুক্তি স্বাক্ষরের পর বিডিবিএলের চেয়ারম্যান শামীমা নার্গিস এবং সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী উভয় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন।
সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফজাল করিম জানান, এই মুহূর্তে সোনালী ব্যাংকের আমানত ১ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা। অপর দিকে বিডিবিএলের আছে ৩ হাজার ২০০কোটি টাকা, যা প্রায় ৫০ ভাগের ১ ভাগ। একই অবস্থা ঋণের ক্ষেত্রেও। কাজেই এটার খুব বেশি প্রভাব সোনালী ব্যাংকের ওপর পড়বে না।
আফজাল করিম আরও বলেন, ‘বিডিবিএলের কর্মকর্তা–কর্মচারীদের শঙ্কিত বা আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। আমাদের প্রায় আট হাজার কর্মী আছেন, তারপরও অনেক লোকবল প্রয়োজন। আর বিডিবিএলের ছয় শর মতো কর্মী আছেন। এ জন্য তাঁদের শঙ্কার কিছু নেই।