ঢাকা শেয়ার বাজার

২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ শনিবার ৮ ফাল্গুন ১৪৩২

২০২৫ সালে শেয়ারবাজার নিয়ে বিনিয়োগকারীদের যে প্রত্যাশা ছিল তার অনেকটাই বাস্তবায়ন হয়নি

সবার আগে শেয়ার বাজারের নির্ভর যোগ্য খবর পেতে আপনার ফেসবুক থেকে  “ঢাকা শেয়ার বাজার ডট কম” ফেসবুক পেজে লাইক করে রাখুন, সবার আগে আপনার ওয়ালে দেখতে। লাইক করতে লিংকে ক্লিক করুন  facebook.com/dhakasharebazar2024

শেয়ারবাজার নিয়ে ২০২৫ সালে  বিনিয়োগকারীদের যে প্রত্যাশা ছিল তার অনেকটাই বাস্তবায়ন হয়নি। সব মিলিয়ে বিগত বছরগুলোর মতো এ বছরও আশাহত হয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।

বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে গত বিগত তিন বছর ধরে হতাশাজনক অবস্থা ছিল। এর ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালেও বিনিয়োগকারীদের হতাশ করেছে দেশের শেয়ারবাজার। এ বছর দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবার নিচে ছিল বাংলাদেশের শেয়ারবাজার।

দক্ষিণ এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলোর মধ্যে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকার সঙ্গে তুলনায় দেখা যায়, ২০২৫ সালে প্রায় সব সূচকেই এসব দেশ বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে ছিল। এ বছর বাংলাদেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স ৬.৭৩ শতাংশ কমে ৪ হাজার ৮৬৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, আগের বছরে যা ছিল ৫ হাজার ২১৬ পয়েন্ট।
অন্যদিকে ২০২৫ সালে পাকিস্তানের কেএসই সূচকটি ৪৫.২৯ শতাংশ বেড়ে ১০৪৭৩৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, ২০২৪ সাল শেষে যা ছিল ৭২১৬০ পয়েন্ট।
শ্রীলংকার সিএসইঅল সূচকটি ৪০.৭৭ শতাংশ বেড়ে ২২৪৪৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, ২০২৪ সাল শেষে যা ছিল ১৫৮২৭ পয়েন্ট।
ভারতের বিএসই সেনসেক্স সূচকটি ৮.৫২ শতাংশ বেড়ে ৮৭৯৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, ২০২৪ সালে যা ছিল ৭৮৩৫৮ পয়েন্ট।

২০২৫ সালে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে সূচক কমলেও বাজার মূলধন ২.৩৫ শতাংশ বেড়ে ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬২০ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে। ২০২৪ সালে ডিএসইর দৈনিক গড় লেনদেন ছিল ৬৩১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। যেখানে এ বছর দৈনিক গড় লেনদেন দাঁড়িয়েছে ৫২১ কোটি ৫৯ লাখ টাকায়। এ সময়ে লেনদেন কমেছে ১৫.৭১ শতাংশ।

গত জুলাই গণ-অভ্যুত্থান শেষে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা ছিল অতীতের অনিয়ম ও দুর্নীতির অবসান হবে এবং শেয়ারবাজার ঘুরে দাঁড়াবে। তবে কিছু ঘটনায় অপরাধীদের বড় আর্থিক জরিমানা করলেও বাস্তবে আদায় হয়নি। অন্তর্বর্তী সরকারের সরাসরি নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও সরকারি ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত করা সম্ভব হয়নি।

শেয়ারবাজার অংশীজনদের সঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থার দূরত্ব এসময় দৃশ্যমান ছিল। ফলে ‘নামমাত্র’ যেসব সংস্কার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, তাতে বাজারে আস্থা তৈরি করেনি। শেয়ারবাজার সংস্কার টাস্কফোর্স গঠিত হলেও তেমন কোনো উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি। কেবল মার্জিন রুলস বিধিমালা ও মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। এ বছরশেয়ারবাজারে বেশকিছু নেতিবাচক ঘটনাও ঘটেছে। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের কথা চিন্তা না করেই বাজার থেকে পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকের লেনদেন স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া তালিকাভুক্ত আরো আটটি ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) বন্ধের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

Author

  • 'ঢাকা শেয়ার বাজার ডট কম' একটি নির্ভরযোগ্য শেয়ার বাজার ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল। অর্থ ও বাণিজ্য, রাজনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতি, প্রতিবেদন, বিশ্লেষণমূলক লেখা প্রকাশ করে।

    'ঢাকা শেয়ার বাজার ডট কম' শেয়ার মার্কেটের প্রয়োজনীয় সকল তথ্য সততার সহিত পরিবেশন করে এবং কোন সময় অতিরঞ্জিত, ভুল তথ্য প্রকাশ করেনা এবং গুজব ছড়ায়না, বরং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে বদ্ধ পরিকর। এটি একটি স্বাধীন, নির্দলীয় এবং অলাভজনক প্রকাশনা মাধ্যম।

    View all posts
Share on facebook
Facebook
Share on whatsapp
WhatsApp
Share on twitter
Twitter
Share on linkedin
LinkedIn
আপনি এটাও পড়তে পারেন
শেয়ার বাজার

আপনি এই পৃষ্ঠার কন্টেন্ট কপি করতে পারবেন না।