দেশের নতুন সরকারে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। কর্পোরেট খাত ও পুঁজিবাজার ঘনিষ্ঠ অভিজ্ঞতার কারণে তিনি শেয়ারবাজারে বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকর অবদান রাখতে পারবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
সঠিক নীতি প্রণয়ন ও কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিনি বাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনতে এবং টেকসই প্রবৃদ্ধির ভিত্তি গড়তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। তাঁর সম্ভাব্য অবদানগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো—
নীতিগত স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ
দীর্ঘমেয়াদি ও স্পষ্ট ক্যাপিটাল মার্কেট নীতিমালা প্রণয়ন করলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়বে।
রেগুলেটরি কাঠামো শক্তিশালীকরণ
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে আরও স্বাধীন ও দক্ষভাবে কাজ করার সুযোগ দিলে বাজারে কারসাজি ও অনিয়ম কমবে।
আরও পড়ুন…. ভঙ্গুর অর্থনীতির হাল ধরলেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি
পেনশন ফান্ড, বিমা কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডকে সক্রিয়ভাবে বাজারে আনতে উদ্যোগ নিলে বাজারের গভীরতা বাড়বে।
ভালো কোম্পানির তালিকাভুক্তি উৎসাহ
রাষ্ট্রায়ত্ত ও বড় বেসরকারি কোম্পানিকে তালিকাভুক্ত করলে বাজারের পরিসর ও মান আরও উন্নত হবে।
কর ও প্রণোদনা কাঠামো সংস্কার
ডিভিডেন্ড, ক্যাপিটাল গেইনস ট্যাক্স ও আইপিও–সংক্রান্ত কর কাঠামো বিনিয়োগ বান্ধব হলে ট্রেডিং ও নতুন বিনিয়োগ বাড়বে।
সব মিলিয়ে বাংলাদেশে এই প্রথম পুঁজিবাজার সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণাসম্পন্ন একজন অর্থমন্ত্রী পাওয়াকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন বিনিয়োগকারীরা। আমরা আপামর বিনিয়োগকারীরা প্রত্যাশা করি, তাঁর নেতৃত্বে আগামী দিনে শেয়ারবাজারের উন্নয়নে তিনি অগ্রনি ভূমিকা রাখবেন।
Author
-
মোঃ জসিম উদ্দিন তালুকদার দেশের পুঁজিবাজারের সাথে সরাসরি যুক্ত। তিনি উপ-মহাব্যবস্থাপক, জাহান সিকিউরিটিজ লিমিটেডের। পোর্টফোলিও পরিচালনায় সুদক্ষ ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। তিনি ২০ বছর ধরে অত্যন্ত সুনামের সহিত পুঁজিবাজারের সাথে যুক্ত আছেন।
View all posts